
দুরন্ত মেজাজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড, নেপাল ও ইতালি’কেও কার্যত ধুয়ে দিল হোপ-ড্যারেন সামির দল। বৃহস্পতিবার ইডেনে ইতালি’কে ৪২ রানে হারানোর পর আগামী ১লা মার্চ এই মাঠে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে সুপার এইটের মুখোমুখি হবে ক্যারিবিয়ানরা।
২০১৬ সালে এই মাঠেই শেষ ওভারে ৪টি ছক্কা হাঁকিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ’কে টি২০ বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন কার্লোস ব্রেথওয়েট। দীর্ঘদিন পর ফের এই মাঠে নামল এবং দাপুটে জয় তুলে নিল তারা। প্রথমে ব্যাটিং করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১৬৫/৬। প্রথম বার বিশ্বকাপ খেলা ইতালির বিরুদ্ধে আরও বেশি রান প্রত্যাশিত ছিল ক্যারিবিয়ান দলটির থেকে। যে ভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যানদের আটকে রেখেছিল ইতালির বোলাররা তার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। বড় রান একমাত্র পেয়েছেন অধিনায়ক সাই হোপ (৭৫)। এ ছাড়া রসটন চেস করেন ২৪ রান। অপরাজিত ২৪ রান করেন শেরফান রাদারফোর্ডও। বাকি ব্যাটসম্যানদের কেউই বলার মতো রান পাননি।
সাইয়ের সঙ্গে ওপেন করতে নামা ব্র্যান্ডন কিং করেন ৪ রান। ১ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন শিমরন হেটমায়ার। রোভম্যান পাওয়েল এবং জেসন হোল্ডার উভয়ই ব্যক্তিগত ৯ রানের বেশি করতে পারেননি। ইতালির হয়ে দুই করে উইকেট নিয়েছেন বেন ওয়ালেস এবং ক্রিসান কালুগামাগে।
স্কোর বোর্ডের চাপ না থাকলেও বড় মঞ্চে পারফর্ম করার অনভিজ্ঞতা এই ম্যাচেও ইতালির ভাল পারফরম্যান্সের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং-ই করতে পারল না ইউরোপের এই দেশে। বিশ্বকাপে অভিষেক করা দলটির ইনিংস ১৮ ওভারে শেষ হয়ে যায় ১২৩ রানে। ইতালির ব্যাটিংয়ের দুই প্রধান মুখ মোস্কা ব্রাদার্স রান পায়নি। জাস্টিন মোস্কা ফেরেন ২ রানে এবং অ্যান্তোনি মোস্কা করেন ১৯ রান। রান পাননি অধিনায়ক হ্যারি মানেনতি (৮)। ইতালীয় ব্যাটারদের মধ্যে উল্লেখ করার মতো রান কেউ করতে না পারলেও বেন মানেনতি (২৬) এবং জেজে স্মাটস (২৪) দলকে লজ্জাজনক হারের মুখ থেকে সামান্য হলেও রক্ষা করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন শামার জোসেফ, ম্যাথু ফোর্ডের সংগ্রহ তিন উইকেট। গুদাকেশ মোতি নিয়েছেন দুই উইকেট এবং একটি পেয়েছেন আকিল হোসেন।



