
নিজস্ব সংবাদদাতা, ২৫ মার্চ, কলকাতা: এনসিসি বেবি লিগের ফাইনালে তারকার সমাবেশ বিবেকানন্দ পার্কে মেনল্যান্ড সম্বরণ অ্যাকাডেমির মাঠে।
ন্যাশনাল ক্রিকেট ক্লাব (এনসিসি)-র উদ্যোগে প্রথমবার আয়োজিত হয়েছিল বেবি লিগ। আট বছর থেকে দশ বছরের উঠতি প্রতিভাদের ক্রিকেটের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলার জন্যই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন। ফাইনালে পল্লিশ্রী মধ্যমগ্রাম পরাজিত করে পাটুলি ক্রিকেট অ্যাকাডেমি’কে।
এনসিসি পরিচালিত এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রাক্তন সিএবি সভাপতি তথা আইপিএল গভার্নিং কাউন্সিলের প্রাক্তন সদস্য অভিষেক ডালমিয়া’র ডাকে উপস্থিত হয়েছিলেন বিসিসিআই সভাপতি মিঠুন মানহাস। রানার্স এবং চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি। অভিষেকের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বিসিসিআই সভাপতি বলেন, “প্রথম বার টি-১০ টুর্নামেন্ট হচ্ছে, অনেক ছোট ছোট ছেলেরা এসেছে। ছোট বয়স থেকে যত খেলবে চাপ নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে। এটা দারুন উদ্যোগ। যে উদ্যমের সঙ্গে ছেলেরা খেলছিল তা এক কথায় অসাধারণ। আমি চাই এই লিগ আগামী দিনে আরও বড় হোক। আমি অনূর্ধ্ব ১৩, অনূর্ধ্ব ১৫ লিগ দেখেছি তবে এটা অন্য রকম, অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে এই লিগ আগামী দিনে। ২৪টির বেশি দল, ৪০০-এর উপর খেলোয়াড় অংশ নিয়েছে, এখান থেকেই বোঝা যায় এই খেলাকে কেন্দ্র করে কতটা আগ্রহী ছেলেরা।” পাশাপাশি অভিষেক ডালমিয়া’র প্রশংসা করে মিঠুন মানহাস বলেছেন, “সঠিক পথে এগোচ্ছেন অভিষেক ডালমিয়া। আমি ও’কে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। দারুন ভাবে এই টুর্নামেন্টের প্রথম সংস্করণ আয়োজন করেছে অভিষেক।
মিঠুন মানহাস ছাড়াও বেবি লিগের ফাইনালে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি, অনুষ্টুপ মজুমদার, বাংলার রঞ্জি জয়ী অধিনায়ক সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সিএবি’র পিচ কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়ের মতো ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব। এ ছাড়াও ছিলেন বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি চন্দন রায় চৌধুরী, প্রাক্তন সভাপতি স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সর্বময় কর্তা দেবব্রত সরকার। এ ছাড়াও ছিলেন সিএবি’র বিভিন্ন কমিটির বহু সদস্য এবং প্রাক্তন পদাধিকারীরা।



