
নিজস্ব প্রতিবেদন, ১৬ জুলাই: শতবর্ষের মহিমায় গৌরবোজ্জ্বল বোধনে আদি বালিগঞ্জ সার্বজনীন। শুভ শারদোৎসবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল শত বৎসর পূর্বের কোনও এক শিউলি ঝরা সকালে, তৎকালীন পূর্ব পুরুষদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। শত হৃদয়ের আন্দোলনে উদ্বোলীত হয়ে শত সহস্র হাত ঘুরে শতবর্ষে উপনিত হয়েছে আদি বালিগঞ্জ সার্বজনীন-এর এ বারের দুর্গোৎসব।
আজ থেকে বহু লক্ষ বছর আগে যেমন আদিম মানুষেরা যাযাবর জীবন থেকে একান্ত আশ্রয় খুঁজতে খুঁজতে গুহাবাসী হয়েছিলেন, আজও পৃথিবীর বহু জায়গায় আমরা সেই গুহা জীবনের নিদর্শন দেখতে পাই। তাঁরা শুধু গুহাবাসী হননি ,গুহার গায়ে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাঁদের অপূর্ব শিল্পী স্বত্ত্বা। সেদিনের সেই থিতু হওয়া গুহা জীবনের ভিতের ওপর আজকের আধুনিক পৃথিবী, সুসজ্জিত আকাশ ছোঁয়া অট্টালিকার সমারোহ।
একটি বীজ যেমন একটি মহীরুহের জন্ম দেয়, তবুও মহীরুহের যাবতীয় শক্তি সঞ্চিত থাকে তার শিকড়ে, তেমনি অতি আধুনিক পৃথিবীর শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি,অগ্রগতি সবকিছু দাঁড়িয়ে আছে এক সুদৃঢ় ভিতের ওপর। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে, মানবিকতা ও সহমর্মিতা কে পাথেয় করে, ঐতিহ্যের সঙ্গে অস্তিত্ব ও স্বত্ত্বাকে জাগরুক রেখে, জীবন সংগ্রামের বহমান স্রোতে এগিয়ে যাব আমরা। পৃথিবীকে আরও সুন্দর বর্ণময় করে গড়ে তোলার আশা ও আশ্বাসের বার্তা নিয়ে শুরু হোক এবারের আগমনী।



